HTML এর বিভিন্ন ট্যাগ ও এট্রিবিউট এর ব্যাবহার

  • এইচটিএমএল (HTML) এর অর্থ হচ্ছে Hyper Text Markup Language.এটা কোন প্রোগ্রামিংল্যাংগুয়েজ নয়,মার্কআপ ল্যাংগুয়েজ।
  • ওয়েব ডেভেলপার হতে হলে এই ল্যাংগুয়েজ টি সবার আগে ভালভাবে শিখতে হবে।তবে এটা শেখা খুব সহজ।
  • এটা শিখলেই আপনি একটা ওয়েব পেজ তৈরী করতে পারবেন।এরপর যদি সিএসএস শেখেন তাহলে ঐ পেজটিতে আরেকটু প্রান দিতে পারবেন
  • তারপর জাভাস্ক্রিপ্টের পালা, জাভাস্ক্রিপ্ট শিখে এর এপ্লিকেশন করলে আপনার ঐ ওয়েবপেজটি ডাইনামিক হওয়া শূরু হল।সবশেষে পিএইচপি+ ডেটাবেস শিখলে আপনি পূর্নাঙ্গ ডেটাবেস Driven ওয়েবসাইট  তৈরী করতে পারবেন।
যে জিনিস লাগবে এইচটিএমএল শিখতে (অর্থ্যাৎ এইচটিএমএল কোড কোথায় লিখবেন)
নোটপ্যাড। Notepad open করে তৈরী হোন।যেহেতু নতুন তাই নোটপ্যাড দিয়েই শুরু করুন পরে অন্য কোন এডভান্সডএডিটরে সুইচ করবেন যেমন Netbeans বা Dreamweaver.আর যদি ড্রিমওয়েভার এ কাজের অভিজ্ঞতা থাকে তাহলে তাহলে এখনই শুরু করতে পারেন।
এইচটিএমএল শিখতে যে শব্দগুলি ভালভাবে জানা দরকার-

ওয়েব ডিজাইন কি?


একজন মানুষের মনে সর্বপ্রথম সাধারণ যে প্রশ্ন টি আসবে, সেটি হল ওয়েব ডিজাইন কি?
একটি ওয়েবসাইট এর দৃশ্যমান অংশ তৈরি করাই ওয়েব ডিজাইন ।

আপনি একটি ওয়েবসাইট এ যা দেখতে পান তা তৈরি করাই ওয়েবডিজাইন । একটি ওয়েবসাইট দেখতে কেমন হবে, এর ব্যাকগ্রাউন্ড এর রং কি হবে, ব্যাকগ্রাউন্ড এ কোন ছবি থাকবে কিনা, থাকলে কি ছবি থাকবে । লেখা কত বড় হবে, কেমন স্টাইল এর হবে, কি রঙের হবে । ইত্যাদি নির্ধারণ করাই ওয়েব ডিজাইন । ওয়েব ডিজাইন এর কাজ ওয়েবসাইট এর দৃশ্যমান অংশ নিয়ে কাজ করা । যেমন ধরুন ফেসবুক, এর রং নীল বাম পাশে ছবি বা অনেক সময় ভিডিও থাকে । উপরে লগিন বক্স । ডানে সাইনাপ বক্স । আবার গুগল দেখুন । এর এসব কিছুই নেই । মাঝে একটি লোগো এবং এর নিচে সার্চ বক্স । এরকম প্রতিটা ওয়েবসাইট দেখতে ভিন্ন হয় কেন? এদের ডিজাইন এর কারনে । প্রত্যেক ওয়েবসাইট আলাদা ভাবে ডিজাইন করা হয় ।

ঘরে বসেই ওয়েব ডেভলপমেন্ট শিখুন

বাতাসের সাথে সাথে মনে হচ্ছে হাজার হাজার ডাটা (তথ্য) চারপাশে ভাসছে।

Google কে চিনিনা এমন মানুষ কম আছে।
যে একে সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে পেরেছে যে জানে এটা কি জিনিস।

তো যারা Google কে সঠিক ভাবে ব্যবহার করতে পারেন নাই তাদের জন্য সহজ করে গাইড লাইন দিলাম।
যা থেকে যেকেউ খুব সহজে ঘরে বসে বসেই ওয়েব ডেভলপমেন্ট শিখতে পারবে।

তবে গাইড লাইনের আগে বলে নেই, অবশ্যই আপনাকে ধৈর্য সহকারে সব টিউটোরিয়াল পড়তে হবে।
শুধু পরলে হবে না পড়ার সাথে সাথে যেগুলো প্র্যাকটিস করতে হবে। প্রথমেই NotePad++ সফটওয়্যারটা ডাউনলোড করে নিন।

আপনার ফেসবুক প্রোফাইল কে পার্সোনাল পেজ এ কনভার্ট করুন

ফেসবুক বর্তমান যুগের অন্যতম একটি পপুলার সোশ্যাল সাইট । নেট এ প্রতিনিয়ত কাজ করেন কিন্তু ফেসবুক চালান না এমন লোক আসলে খুজে পাওয়া কঠিন । অনেকে আবার একটির বেশি ফেসবুক প্রোফাইল ও চালিয়ে থাকেন । যাই হোক ধরুন আপনার দুই টা ফেসবুক প্রোফাইল আছে । একটি তে আপনি আপনার পরিচিত দের সাথে কানেক্ট এবং অপরটিতে আপনি বিভিন্ন রকম মানুষের সাথে এড আছেন । আপনি যে দুটো প্রোফাইল চালান তার মধ্যে ধরা যাক একটি তে ৩০০-৬০০ ফ্রেন্ড এবং পরের টি তে ৩০০০-৪০০০ মত ফ্রেন্ আছে ।  এখন আপনি চিন্তা করলেন যে আপনি আপনার নিজের নামে একটি পেজ খুলবেন ফেসবুকে  কিন্তু সমস্যা হল শুধু পেজ ওপেন করলেই তো হবে না !!! পেজ টিকে সবার সাথে শেয়ার করা , ফ্রেন্ড দের ইনভাইট করা , পেজ এর লিঙ্ক ঠিক করা আরও অনেক ঝামেলা ।

রাউটার কনফিগার করার প্রক্রিয়া

ধরুন আপনার বাসায় একটি ডেক্সটপ কম্পিউটার আছে এবং আপনি ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করেন। এখন আপনার স্মার্টফোনটিতে চাইছেন ব্রডব্যান্ড সংযোগটি দিয়ে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে। কিন্ত তা সরাসরি সম্ভব নয়। এজন্য প্রয়োজন হবে একটি আলাদা ডিভাইস। এই ডিভাইসটির নাম রাউটার।
প্রযুক্তির উন্নতির এই যুগে এখন আর কেউ তারের মাধ্যমে ইন্টারনেট সংযোগ ব্যবহার করতে চান না। ওয়্যারলেস প্রযুক্তি ক্রমান্বয়ে তার যুগের অবসান ঘটাচ্ছে। রাউটারের সাহায্যে ব্রডব্র্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগটি ব্যবহার করা যায় স্মার্টফোন-ল্যাপটপসহ যে কোনও ডিভাইসে।

তবে রাউটার কেনার পর ব্যবহার করতে হলে রাউটারটি সেটআপ করতে হয়।

নিজের বাসার মাসিক Electricity Bill নিজেই বের করুন

নিজের বাসার মাসিক Electricity Bill কত হতে পারে ! এবার নিজেই বের করে ফেলি।
বাসাবাড়িতে বা কোন গ্রাহক যতটুক ইলেকট্রিক্যাল এনার্জি ব্যাবহার করে এনার্জি মিটার তা KWH(কিলো ওয়াট আওয়ার) এ পরিমাপ করে। 1 KWH = 1 unit. যার উপর ভিত্তি করে বিল আসে আর আমাদের পরিশোধ করতে হয়।
মাসিক Electric Bill বের করতে হলে আমাদের জানতে হবে,

i) লোডগুলোর (ফ্যান, লাইট, ফ্রিজ, এসি, কম্পিউটার, টিভি, আইরন...ইত্যাদি)watt । watt সাধারনত লোডের গায়েই লেখা থাকে।

ii) লোডগুলো দিনে গড়ে কত সময় চলে। {সব বাদ দিলাম কিন্তু আমার মত কম্পিউটার পাগলাদের কম্পিউটার কত সময় চলে.........

iii) বিভিন্ন ধরনের লোডগুলো কতটি করে আছে।

iv) আপনার এলাকার পাওয়ার ডিসট্রিবিউটিং কোম্পানীর প্রতি ইউনিটের দাম (যা স্টেপভেদে আলাদা, যেমন ০-৭৫ ইউনিটের জন্য ৩.৩১/=, ৭৫-২০০, ২০০-৪০০ বা ৪০০-৭০০ প্রতি ইউনিটের দাম আলাদা), ডিমান্ড চার্জ, সারভিস চার্জ (যা আপনার বাসার পুরাতন ইলেকট্রিক বিলে আছে), ভ্যাট কত ℅।

আর মাস ৩০ দিনে। এখন দেখা যাক... [AA* এর জায়গায় লাইট/ফ্যান বা অন্যান্য লোডের watt বসিয়ে দিন]

AA* watt এর ৬ টি লাইটের লোড = AA* × ৬ × ঘন্টা = watt Hour

AA* watt এর ৪ টি ফ্যানের লোড = AA* × ৪ × ঘন্টা = watt Hour

AA* watt এর ২ টি কম্পিউটার লোড = AA* × ৬ × ঘন্টা = watt Hour

AA* watt এর ১ টি আইরনের লোড = AA* × ৬ × ঘন্টা = watt Hour

AA* watt এর ২ টি এসি লোড = AA* × ৬ × ঘন্টা = watt Hour

মোট = watt Hour

=(মোট watt Hour ÷ ১০০০ × ৩০দিন) ১ মাসে বাবহৃত Kilo Watt Hour

= KWH [১ মাসে বাবহৃত KWH]

= KWH [১ মাসে বাবহৃত KWH]× প্রতি ইউনিটের দাম

= টাকা [ এটাই আপনার মাসিক নিট বিল]

আর, ভ্যাট এর পরিমান হবেঃ
আপনার মাসিক নিট বিল × ℅ ভ্যাট = মোট ভ্যাট

ব্যাস, এখন শুধু আপনাকে : আপনার মাসিক নিট বিল + ডিমান্ড চার্জ + সারভিস চার্জ+ মোট ভ্যাট = Amount to be paid পেয়ে যাবেন।

একটি সুন্দর জীবনবৃত্তান্ত (CV) তৈরীর কৌশল


CV যেমন হওয়া উচিত


আপনার জীবনবৃত্তান্ত (CV) হচ্ছে একজন সম্ভাব্য চাকুরীদাতার কাছে একজন চাকুরীপ্রার্থী হিসাবে উপস্থাপন করার প্রাথমিক মাধ্যম ৷ কিন্তু অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় চাকুরীপ্রার্থীরা তাদের জীবনবৃত্তান্ত সুন্দর এবং সঠিকভাবে তৈরী করার ব্যপারে গুরুত্ব প্রদান করে না ৷ ফলশ্রুতিতে অনেক যোগ্য প্রার্থীই Job Interview তে ডাক পায় না এবং যোগ্যতা প্রমানের সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয় ৷
আপনার জীবনবৃত্তান্ত (CV) তৈরীর আগে যে সকল বাস্তবতার দিকে নজর রাখবেন---